Showing posts with label bangla adult joke. Show all posts
Showing posts with label bangla adult joke. Show all posts

Friday, 31 January 2014

bangla dirty jokes7

বিচারক : আপনি বলেছেন- আপনার বন্ধুর সঙ্গে অবৈধ প্রণয় চলছিল বলে বউকে খুন করেছেন।
কিন্তু আপনি আপনার বন্ধুকে খুন না করে বউকে খুন করলেন কেন?
আসামি : হুজুর আমার অনেক বন্ধু।
সপ্তায় একজন করে বন্ধুকে মারার চেয়ে বউকে মারাই সহজ মনে হল তাই। :q

bangla dirty jokes 3

জামাই আর বউ বসে একসাথে টিভি দেখলছিল। এমনসময় জামাই হঠাৎ বউয়ের দিকে ফিরে বলল, ‘ওগো তুমি কি আমাকে এমন কিছু বলতে পারবে যেটা একই সাথে আমাকে আনন্দ ও কষ্ট দিবে।’

বউ জামাইয়ের দিকে ঘুরে বলল, ‘তোমার বন্ধুদের মধ্যে তুমিই বিছানায় বেশি সময় টিকতে পারো।’ :q

bangla dirty jokes 2

এক মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ডাক্তার এর কাছে গেল ডাক্তার তাকে দেখে বলল ডাক্তারঃ"আরে তোমার ঠোঁট কাটল কিভাবে?" মেয়েঃ মানে কিস করতে গিয়ে!! ডাক্তার( অবাক হয়ে)ঃ কিস করতে গেলে তো এত বেশি কাটার কথা না!!! মেয়েঃ"না, মানে আমি ওকে কিস করতেছিলাম ওই সময়ই দরজা তে কে জানি নক করলো আর সাথে সাথে ভয় পাইয়া ও চেন বন্ধ কইরা দিসে :P

Sunday, 23 September 2012

bangla adult jokes - 10


শুঁড়াইখানায় এসে আরাম খান তার মাতাল ইয়ার দোস্তদের সাথে মাতলামিতে ব্যস্ত। পানপাত্রে খানিকটুক বাংলামদ ঢেলে হুট করে একজন বলে উঠলেন, “আজকের রাতটা খুবই পয়মন্ত রাত। চল আমরা কিছু একটা উইশ করি।”

আরাম খান কলকল করে মদ ঢাললেন তার গ্লাসে। তারপর সেটা উঁচিয়ে ধরে বলতে থাকলেন, “আমি আমার সুন্দরী বউয়ের দুই পায়ের ফাঁকে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই, হাহাহাহাহা।” এই বলে কয়েক ঢোক গিলে ফেললেন তিনি।

তার এই কামনাবাক্য সবার পছন্দ হলো। শুঁড়িঘর জুড়ে বেশ একটা রো রো শব্দ পড়ে গেল।

বাসায় ফিরে বউকে গিয়ে আরাম খান বললেন, “বুঝলে গিন্নী, আজ একটা পার্টিতে তোমাকে স্মরণ করে এমন এক সুন্দর উইশ করেছি না, আমার বন্ধুসকল তো আমার প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ।”

“অ্যাঁ! কি উইশ করলে? কোথাকার পার্টি?”

আরাম খান সম্বিত ফেরে পেলেন। তিনি জানেন, এসব মদখাওয়াখাওয়ি তার স্ত্রীর পছন্দ না, তারপর আবার তার কামনাবাক্যটাও খুব একটা শ্লীল কিছু ছিল না। আরাম খান খানিক সবর করে বললেন, “মানে বলেছিলাম কি, ওরা তো সবাই জানে যে আমরা কক্সবাজারে বাড়ি কেনার প্লান করছি। তো উদাত্ত স্বরে উইশ করলাম- তোমাকে নিয়ে আমি সুন্দর সমুদ্র সৈকতে, আবেগঘন পরিবেশে, বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই।”

স্ত্রী শুনে খুব লাজুক একটা হাসি দিলেন।

পরের দিন আরাম খানের স্ত্রী গেছে সদাইপাতি কিনতে। পথে তার সাথে দেখা হলো, সেদিনকার সেই শুঁড়িখানায় উপস্থিত থাকা আরাম খানের এক বন্ধুর।

“কী ভাবি, আরাম খান তো দেখি আপনাকে খুব ভালোবাসে। সেদিনতো তিনি কী উইশটাই না করেলন!” এইবার একটু বাঁকা হেসে তিনি বললেন, “তো, এ পর্যন্ত কবার যাওয়া হয়েছে ওজায়গায়…?”

মহিলা লাজুক হেসে বললেন, “বেশি না, মাত্র দুবার। প্রথম বার তো সে ঘুমিয়েই কাটিয়েছে সারাটা সময়, তাই আমিও তেমন মজা করার সুযোগই পাইনি। আর দ্বিতীয়বার ওখানটায় গিয়ে তার ইয়ে করতে করতেই টাইম গেছে, মানে বুঝলেন তো…” আবারো লাজুক হাসলেন তিনি, “সেসময় তার বহুমূত্র রোগটা একটু বেড়েছিল কিনা….”

LinkWithin

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...