Showing posts with label bangla adult jokes. Show all posts
Showing posts with label bangla adult jokes. Show all posts

Sunday, 23 September 2012

bangla dirty jokes 9


জনি বেশ কিছুদিন চীন ঘুরে ফিরে দেশে ফিরেছে। তো চীনে থাকা কালীন সময়ে সে ভালই মউজ মাস্তি করেছে। চীনা খাবার-দাবার থেকে শুরু করে চীনা মেয়ে-মানুষ কোনটাই তার মেন্যু থেকে বাদ যায়নি। ফলাফল স্বরূপ দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় তার পুরুষাঙ্গ কেমন একধরনের সবুজ সবুজ গোটায় ভরে গেল। প্রচন্ড ভয়ে জনি তখনি ডাক্তারের কাছে ছুটলো। ডাক্তার সব দেখে শুনে চিন্তিত মুখে এদিক ওদিক মাথা নাড়লেন। তারপর এটা ওটা অনেক টেস্ট দিলেন। সেসব টেস্টের রেজাল্ট দেখে তার মুখ আরো গম্ভির হলো। তিনি জনিকে বললেন - মি: জনি আমি খুব দুঃখিত হয়ে জানাচ্ছি যে, আপনার যে রোগ হয়েছে তাতে আপনার ইয়েটা যদি এখনি অপারেশন করে কেটে ফেলা না হয়, তবে আপনার জীবন বাঁচানোই দায় হয়ে যাবে।
জনি এ কথা শুনে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো - বলছেন কি ডাক্তার সাহেব?! ওটা ছাড়া এ জীবন রেখে কি হবে? সে কাঁদতে কাঁদতেই গেল তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর কাছে দুঃখের কথা বলবে বলে। তার বন্ধু সব শুনে বলল - শোন দোস্ত, যেহেতু তুই চীনে গিয়ে এই রোগ বাধিয়েছিস সেহেতু এই রোগের চিকিৎসা চীনা কোন ডাক্তারই ভালো জানবে। আমার পরিচিত এক চীনা ভেষজ ডাক্তার আছে। চল তার কাছে যাই। জনি যেন কিছুটা আশা ফিরে পেল, বলল - চল তবে এক্ষুনি যাই।
চীনা ডাক্তার সব দেখে শুনে ভিষন বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে বললেন - তোমাদের দেশের এই সব ছাই পাশ ডাক্তার কি যে সব বলে না! সুযোগ পেলেই খালি ধর মার কাট কাট!! কেন বাপু, কি এমন হয়েছে যে তোমার ওটা অপারেশন করে কেটে ফেলতে হবে?! জনির চোখে আশার আলো ঝিলিক দিয়ে উঠলো - সত্যি বলছেন ডাক্তার সাহেব? আমার তাহলে অপারেশন লাগবে না? ওটা কেটে ফেলতে হবে না?
ডাক্তার বললেন - আরে না বোকা! কোন অপারেশন লাগবে না। তুমি আর এক সপ্তাহ অপেক্ষা করো। ওটার যা অবস্থা, তাতে ওটা আপনা আপনিই খশে পড়বে।

bangla dirty jokes 7


বউ সন্দেহ করছে যে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে।
শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না।
রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে
স্বামী বললঃ আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো।
স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝ রাতে স্বামী উঠে পাশের রুমে টয়লেট এ গেল।
স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধ করে দিল।


একটু পর স্ত্রী কিছু একটা অনুভব করলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর স্ত্রী লাইট জ্বালিয়ে বললোঃ
তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায় আশা করোনি !!

“অবশ্যই না ম্যাডাম”, বললো ড্রাইভার !!

bangla dirty jokes 5


''exam" দেয়ার পর একটি মেয়ের চিন্তাঃ

*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।
*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো,কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।
*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।
*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।
*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।

সেক্স এর পরও মেয়েদের এই একই চিন্তা থাকে।

bangla dirty jokes 1


এক মহিলার গর্ভে একসাথে তিন সন্তান। তিনি একদিন হাঁটছিলেন, এমন সময় আশেপাশের কোথাও ডাকাত পড়লো। মুহুর্মুহু গোলাগুলির আওয়াজ আসতে লাগলো কানে। হঠাৎ গুনে গুনে তিনটা গুলি এসে লাগলো মহিলার নিন্মদেশে। তিনি মূর্ছা গেলেন।

ভাগ্যের অতিমাত্র্যে মহিলা রক্ষা পেলেন। ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিল বুলেটগুলো ভিতরেই রেখে দিতে, কারণ তারা দেখলো অপারেশন করাটা ঝুঁকিপূর্ণ।

ষোল বছর পরের কাহিনী। তাঁর বাচ্চাগুলো খুব ভালোমতই বড় হয়েছে এতদিন। হঠাৎ একদিন এক মেয়ে এসে কাঁদো কাঁদো হয়ে বললো, “মা মা, আমার খুব ভয় লাগছে।”

“কি মা, কি হয়েছে তোমার। আম্মুকে সব খুলে বলো।”, বললেন মহিলা।

“আজ হিসু করার সময়না, আমার শরীর থেকে একটা টাটকা বুলেট বেরিয়েছে। ঠুস করে গুলি করার মত শব্দও হয়েছে।”, বললো মেয়েটি।

মহিলা ব্যাপারটা বুঝতে পারলেন। তিনি ষোল বছর আগে ঘটে যাওয়া সে রোমহর্ষক ঘটনাটি মেয়েকে খুলে বললেন।

কিছুদিন বাদে এল দ্বিতীয় মেয়েটি। সেও ভীষণ উদ্বিগ্ন, কারণ সেও তার বোনের মত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে কিছু আগেই। মা সবকিছু শোনার পর তাকেও ষোল বছর আগের ঘটনাটা খুলে বললেন। সেও আশ্বস্ত হলো।

আরো কিছুদিন গেছে। হঠাৎ মহিলাটা একদিন দেখলেন তাঁর তিন যমজ সন্তানের মধ্যে একমাত্র ছেলেটি ভয়ার্ত মুখে হাঁপাতে হাঁপাতে এল।

“কি হয়েছে, খোকা? এমন করছ কেন?”, বললো মহিলাটা।

সদ্যপ্রাপ্ত ভরাট কন্ঠে ছেলেটা ভয়ার্ত স্বরে বললো, “আম্মা, কিছুক্ষণ আগে মারাত্মক একটা ব্যাপার ঘটেছে।”

মহিলাটা আঁচ করতে পারলেন। “ও বুঝেছি। নিশ্চয়ই তুমি প্রস্রাব করতে গিয়েছিলে, আর একটা বুলেট বেরিয়েছে…তাইতো?”

“না মা, ঠিক প্রস্রাব করতে নয়।”

“তাহলে?” আশ্চর্য স্বরে বললেন মহিলা।

“যাই হোকনা কেন, ভয়ানক ব্যাপারটা হচ্ছে , আমি আমাদের কাজের বুয়াকে মেরে ফেলেছি।”

bangla adult jokes 20


স্ত্রী মারা যাওয়ায় হক সাহেব ভয়ানক কাদতে লাগলেন। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পুরো সময় টা তিনি কাদলেন। কারো সান্ত্বনায় কাজ হলো না। এমনকি বাসায় ফেরার সময় গাড়ীতেও কাদতে লাগলেন। পাশে বসে থাকা তার এক বন্ধু সান্ত্বনা দিয়ে বল্লেন-"কেন দুঃখ করছো? যা হবার হয়েছে, এটা ভাগ্যের ব্যপার। তা এখন থেকে যদি মনকে শক্ত করার চেষ্টা কর তাহলে মাস ছয়েকের মধ্যে আর একটা বিয়ে করতে পারবে।"
হক সাহেব উত্তেজিত হয়ে বললো-"৬ মাস??? তাহলে আজ রাতে কি করবো।"

bangla adult jokes 19


এক লোক নগ্নতাবাদীদের দলে গিয়ে জুটলো। সে নিজের অনেক দিনের আবাস ছেড়ে তাদের সাথে গিয়ে বসবাস করতে থাকলো। একদিন তার দাদিমা তাকে চিঠি দিলেন। চিঠিতে তিনি বললেন, নাতি যেন তার বর্তমান হাল হকিকত সম্পর্কে তাঁকে লিখে জানায়, সাথে একটা ছবিও যেন জুড়ে দেয়।

লোকটা ভেবে পেলনা কী করবে। সে যে একপাল ন্যাংটো মানুষের সাথে দিনে দুপুরে দিগম্বর হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এ ধরণের ছবি দাদিকে পাঠালে ভীষণ এক কেলো লাগবে। তাই সে বুদ্ধি করে তার নিজের বর্তমান অবস্থার এক ছবি অর্ধেক কেটে দাদিকে পাঠিয়ে দিল।

কিন্তু ভুলবশত উপরের অর্ধাংশের বদলে নিচের অর্ধাংশ পাঠালো সে। ফলে তার চিন্তার অন্ত নেই। কিন্তু তার আবার মনে পড়লো যে দাদিমা চোখে খাটো। তিনি ছবি দেখে কিছুই ভালোকরে বুঝবেন না। ফলে সে কিছুটা আশ্বস্ত হলো।

কিছুদিন পর দাদিমা চিঠি লিখে জানালেন, ‘তোমার চিঠি আর ছবির জন্য তোমাকে অশেষ ধন্যবাদ। তবে আমার মনে হয় তোমার চুলের কাটিংটা একটু বদলানো উচিত। চুলগুলোর কারণে তোমার নাককে অনেক ছোট মনে হয়।’

bangla adult jokes 15


এক লোক বিয়ের বিশ বছর পর মারা যাচ্ছে, বউকে কাছে ডেকে বললো, "আমি খারাপ লোক, আমার মত খারাপ স্বামী জগতে নাই,, আমি বিরাট পাপী, বউ বললো কেন তুমি কি করছো?? লোকটি বললো, আমি তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছি, তোমাকে ঠকাইছি, আমি অন্য মহিলার সাথে সম্পর্ক রাখছিলাম, তারপর বললেন খাটের নিচের বড় বাক্সটা আনো, বউ এনে দিলো, দেখা গেলো সেখানে তিনটি বোতল আর বিশ হাজার পাউন্ড পড়ে আছে।

লোকটি বললো দেখো বোতলগুলো দেখো, যতবার আমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছি ততবার একটা হুইস্কির খালি বোতল জমা করেছি।

বউ বললো মন খারাপ করো না, বিশ বছরে মাত্র তিনবার তুমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছো, এটা কোন ব্যাপারই না, তুমি যে অপরাধ স্বীকার করছো সেটাই আমার কাছে অনেক বড়ো, তিনবার বিশ্বাস ভাঙা কোন ব্যাপার না, তোমাকে মাফ করে দিলাম।

তারপর বউ জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা!! বিশ হাজার পাউন্ড কোথেকে এলো, লোকটি উদাস গলায় বল

bangla adult jokes 14


এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো,
(১) বার্নল।
(২) ভায়াগ্রা।

লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো,
বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!!
ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।।

bangla adult jokes 13


কমল আর তার বউ কমলা নিদারুণ অর্থকষ্টে আছে। অনোন্যপায় হয়ে এই অর্থকষ্ট লাঘবের জন্য কমলা সিদ্ধান্ত নিল সে পতিতাবৃত্তি করবে। তো, রাতের বারোটার সময় হতভাগিনী কমলা তার ঊনপাঁজুরে স্বামী কমলকে দালাল বানিয়ে হাজির হল শাহবাগের মোড়ের দিকে।

কমল বললো, “শোনো, আমি সামনে থাকবো না, আমার শরম লাগে। আমি এই খাম্বার আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকবো। মুলোমুলির ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তুমি আমার সাথে এসে মোলাকাত করবে। আমি সবকিছু বাতলে দেব।”
কমলা বিজন রাতে, সস্তা মেকআপ নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল রাস্তার ধারে।

এমন সময় তার পাশে একটা ভ্যানঅলা এসে থামলো। জিজ্ঞেস করলো, “দর কত?”
কমলা বললো, “এক রেট, একশো টাকা।
ভ্যানঅলা বললো, “ধুর্। আমার আছে মোটে তিরিশ ট্যাহা।”

কমলা কী যেন ভাবলো। তারপর দৌড়ে খাম্বার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কমলের কাছে গিয়ে বললো, “ঐ ভ্যানঅলা ব্যাটার তিরিশ টাকা আছে। এটা দিয়ে ওকে কি করা যায়।”

কমল কিছুক্ষণ ভেবে বললো, “ওই, হাত দিয়ে একটু ঘঁষে-মেজে দিতে পারো আরকি।”

কমলা ফের ছুটে গেলো ভ্যানঅলার কাছে, “শোনেন, তিরিশ টাকা দিয়ে আমি আপনাকে হাত দিয়ে কিছুটা সুখ দিতে পারবো, এর বেশি না।”

গোবেচারা ভ্যানঅলা তাতেই রাজি হয়ে গেল। তারপর সে কমলার কাছে এগিয়ে গিয়ে তার লুঙ্গিটা অভদ্র পরিমাণ উচ্চতায় উঠিয়ে নিল। আর আড়াল থেকে বেরিয়ে এল যা,  তা দেখে কমলা স্রেফ ভিরমি খেয়ে গেল। সে কিছুক্ষণ কী যেন ভেবে, ভ্যানঅলাকে অপেক্ষা করতে বলে কমলের কাছে ছুটে গেল পুনর্বার।

“কী বউ! তোমাকে এমন উত্তেজিত দেখাচ্ছে যে”, বিস্মায়পন্ন হয়ে বললো কমল।

“কমল, জান আমার!” আপ্লুত কণ্ঠে বললো কমলা। “তুমি কি ওই লোকটাকে সত্তুরটা টাকা ধার দিতে পারবে"

bangla adult jokes


মিয়ামি থেকে বস্টনে উড়ে যাবার সময় একবার আটলান্টিক কোস্টলাইনে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটলো। বিমানের প্রায় সব মানুষ মারা পড়লো। অনুসন্ধানকার্যে ঝানুতম- মার্কিন গোয়েন্দাব্যুরো এফবিয়াই, তটসীমা ধরে দুর্ঘটনাস্থল আঁতিপাঁতি করে চষে ফেললো। তবুও তারা ব্ল্যাকবক্সের একরত্তি টুকরোটাও পেলনা, যা থেকে অন্তত বোঝা যেতে পারতো, ঘটনা কীভাবে ঘটেছে। পাওয়ার বেলায় পেল কেবল একটা বাঁদর, যেটা সেই সময়ে ওই বিমানেই অবস্থান করছিল। কোন এক হতভাগা যাত্রীরই পোষা ছিল সেটা। মনিব মশায় অক্কা পেলেও, সৌভাগ্যের অতিশয্যে, বিমানের একমাত্র প্রাণী হিসেবে বেঁচে ছিল শুধুমাত্র মুখপোড়া বাঁদরটাই।

এফবিয়াই-এর প্রাণী প্রশিক্ষণ বিভাগ সপ্তাহকালের অক্লান্ত চেষ্টায় বাঁদরটাকে বিভিন্ন আকার-ইঙ্গিত শেখালো, যাতে তার কাছ থেকে দুর্ঘটনার কোন হেতু বের করে আনা যায়। ট্রেনিং সম্পন্ন হবার পর বাঁদরটা মুখোমুখি হলো তদন্ত বিভাগের। তদন্তকর্মে নিয়োজিত হলো সাতিশয় অভিজ্ঞ, পক্কবাল এক অফিসার।

“দুর্ঘটনার সময় বিমানের পাইলট কি করছিল?” বাঁদরে শুধালেন অফিসার।
জানোয়ারটা তার বাঁদরপনা লিঙ্গটা উম্মুখ করে দিয়ে, তার কটিদেশ সংলগ্ন অঞ্চল আগপিছ দুলিয়ে, মুখে শব্দ করলো, “ওহ ওহ ওহ…”

দুর্ঘটনার জটটা যেন আস্তে আস্তে খুলতে লাগলো। অফিসার সাহেব ভুরু-টুরু কুঁচকে ফের জিজ্ঞেস করলেন, “তখন, সহকারি বৈমানিক করছিলটা কি?”

এবার বাঁদরটা তার নির্দিষ্ট অঙ্গটাতে হস্তস্থাপন করলো। হাতকে আগপিছ ঝাঁকিয়ে, মুখটা প্রসৃত করে শব্দ করলো, “এহ এহ এহ…”

এবার অফিসার মহাশয় আরও অস্থির হলেন। তিনি সন্ধিগ্ধ নয়নে জিজ্ঞেস করলেন। “এয়ার হোস্টেস গুলা কি করছিল বলতে পারো?”

বাঁদরটা এবার তার ডবকা নিতম্বাংশ দুটো দুহাতে পাকড়ে সামনের দিকে ঝুঁকে গেল। মুখটা ভীষণ রকম কেলিয়ে শব্দ করলো, “ইহ ইহ ইহ….” ।

অফিসার সাহেব রিলাক্স করে বসলেন। তার কাছে সবকিছু জলের মত পরিষ্কার। আয়েসী ভাবেই হঠাৎ তিনি বাঁদরটাকে জিজ্ঞেস করলেন, “এমন ভয়ানক সময়টাতে তোমার কেমন লাগছিল? কি করছিলে তুমি তখন?”

এবার বাঁদরটা একটা কাল্পনিক স্টিয়ারিং ধরে, বিমান চালানোর ভঙ্গি করলো।

bangla adult jokes - 11


অফিসের কাজে একবার আরাম খান এক শহরে গেলেন|
কিন্তু রাতে থাকার জন্য হোটেল খুজতে গিয়ে পড়লেন বিশাল এক ঝামেলায়, কারণ কোনো হোটেলে রুম পাওয়া যাচ্ছেনা!
ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে শহরের শেষ প্রান্তের শেষ হোটেলে গিয়ে হাজির হলেন|
হোটেলের ম্যানেজার বলল, “খালি রুম তো নাই, কিন্তু দোতলায় একটা ডাবল রুমের একটা বেড খালি আছে| কিন্তু একটা সমস্যা আছে! পাশের বেডের লোকটি প্রচন্ড জোরে নাক ডাকে সারারাত| বেশ কয়েকজন চেষ্টা করেও রাতে ঘুমাতে পারেনি| তাই মনে হয় আপনিও পারবেন না!”
আরাম খান বললেন,”ভাই আমি থাকতে পারব, সমস্যা হবে না!”
কি আর করা, হোটেলের ম্যানেজার তাকে ওই রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন|
পরদিন সকালে আরাম খান বেশ সতেজ ও ফুরফুরে মেজাজে নিচতলায় সকালের নাস্তা করতে এলেন|
হোটেলের ম্যানেজার তাকে দেখে জিগ্যেস করলেন ঘুম কেমন হয়েছে?
আরাম খান বললেন যে তিনি খুব এরচেয়ে ভালো ঘুম আর কোনদিন ঘুমাননি!
হোটেলের ম্যানেজার অবাক হয়ে বললেন, “কিভাবে সম্ভব হলো?”
জবাবে আরাম খান হাসতে হাসতে বললেন,”রাতে রুমে ঢুকেই আমি তার গালে একটা চুমু দিয়ে বললাম যে সে খুব সুন্দর! এরপর নিজের বেডে গিয়ে ঘুমিয়ে পরলাম| আর ও সারারাত বেডে বসে থাকলো!”

LinkWithin

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...