Sunday, 23 September 2012

bangla choti jokes 5


বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা।
এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল,
-আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?
-৭৭? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি,বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।
-এককাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।

বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।


পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট -আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।
লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।
-তাতে কি?
-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?
-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?
-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।
-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?
একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম।

bangla choti jokes 4


একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। বব আর জন। বব বিয়ে করেছিল লিসা নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে জনের লিসা নামে একটা ফিসিং বোট ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে ববের বউ লিসা যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকা লিসাও ডুবে যায়।

কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা লিসাকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা বব। ববের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।
মহিলা বলল “আহা! কিরে পোলা, লিসার জন্য কষ্ট হয় রে?”
জন বলল, তেমন একটা হয় না।
কি বলিস ছোকরা!
আরে বলবেন না, যেদিন থেকে লিসা আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে লিসা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটা বেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়ে দিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চাইর বদমাশ আসছিল একটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা লিসাকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি ত লিসাকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজার হোক লিসা আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা লিসার জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি লিসার ক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজি করিয়ে ফেলল।


একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে জন বলল, ওরা চারজন একসাথে লিসার ওপর চড়ে বসতেই লিসা শেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে ...... শেষ হয়ে গেলো।
জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো।

bangla choti jokes 3


একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।
বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।
পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।
শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।
রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!
ফাদার গাধাটাকে খুব ভালো ভালো খাবার দেয়া শুরু করলেন। পরের সপ্তাহেও রেসে অংশ নিলেন গাধা নিয়েই। এইবার তার গাধা রেসের প্রথমেই। পরদিন বিশাল ছবি সহ সংবাদপত্রের শিরোনাম- FATHER'S ASS OUT IN FRONT!!!

ফাদার আগ্রহ নিয়ে বিশপের সাথে দেখা করতে গেলেন। ফান্ডে বেশ ভালো টাকা জমা হচ্ছে গাধাটার কারনে। এদিকে গাধাটা আবার শহরের হিরো হয়ে গেছে। কিন্তু বিশপ পেপারের হেড লাইনগুলো পছন্দই করেন নাই। তিনি ফাদারকে হুকুম দিলেন, বদমাশ গাধাকে আর রেসে দিবেন না। ফাদার তাই করলেন।রেসে কভার করতে আসা সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করল গাধাটা রেসে নাই কেনো? সহজ-সরল ফাদার বলে দিলেন বিশপের নির্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে। রেসিং ডে এর পরের দিন পেপারে আসল- BISHOP SCRATCHES FATHER'S ASS


বিশপ ত এইবার পুরা ক্ষেপা। তার কড়া নির্দেশ এলো ফাদারের কাছে। গাধাকে সরাও। ফাদার আর কি করবেন? এত শখের গাধা তার। কাছের এক সন্ন্যাসী আশ্রমে তার পরিচিত এক নান থাকেন। তিনি গাধাটা নানকে দিয়ে দিলেন। পরের দিনে পেপারে আসল, NUN HAS BEST ASS IN TOWN!!! এইবার পেপারের হেডিং দেখে বিশপ ফিট হয়ে পড়ে গেলেন। জ্ঞান ফিরে আসার পর নানকে খবর পাঠালেন, দয়া করে গাধাটা বিক্রি করে দেন।
নান তাই করলেন। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিলেন গাধাটা। পেপারে খবর চলে আসল, NUN SELLS ASS FOR 1000 Taka.

বিশপের মাথা এইবার আউলিয়ে গেছে। পেপারগুলা যা শুরু করছে!!!! গাধাটার হাত থেকে যেভাবেই হোক মুক্তি পেতে হবে। তিনি নানকে নির্দেশ দিলেন, আপনি গাধাটা আবার কিনে নেন। এরপর সেটাকে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এরসাথে আমাদের চার্চের যেন কোনরূপ সম্পর্ক না থাকে। নান গাধাটা কিনে ফেরত নিলেন। তারপর বনে নিয়ে ছেড়ে দিলেন। সংবাদ সম্মেলন করে জানালেন, আমার গাধাটার সাথে চার্চের কোনরূপ সম্পর্ক আর নাই। সেটাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। কেউই আর গাধাটার মালিক নয়। পরেরদিন পেপারের হেডিং- NUN ANNOUNCES HER ASS IS WILD AND FREE.
সেইদিন সকালে হার্ট এটাকে বিশপ মারা গেলেন।

bangla choti jokes 2


আবুল মিয়ার সাথা পাশের বাসার মিতা ভাবীর অবৈধ্য সম্পর্ক আছে।
আবুল তারে একটা বিদেশী ব্রা গিফট করছে। তার সাতদিন পর:

আবুল:তোমাকে যে বিদেশী ব্রা টা দিছিলাম সেইটা দিয়া কি করছো?
মিতা: সেটা তো রফিক নিয়া গেছে আমার কাছে থাকে।
আ: তার মানে তুমি রফিকের সাথেও xxx কর।
মি: তো তোমার কি ধারনা শুধু তোমার সাথেই।
আ: যাই হোক, রফিক সেটা দিয়া কি করছে।
মি: রফিকের সাথে আবার আইরিনের প্রেম। সে আইরিনকে গিফ্ট করছে।
আ: আইরিন সেটা দিয়া কি করছে?
মি: তা তো জানিনা। কেন, কি দরকার তোমার তা দিয়া.
আ: খুব দরকার। আজ আমার বৌ দেখি সেই ব্রাটা পইরা আছে। 

bangla choti jokes 1


"ভোরবেলা"
মহিলা স্বামীকে বললেন, ‘নাস্তা করবে না? ডিম পোচ আর টোস্ট, সাথে আপেল আর কড়া এক কাপ কফি?’

স্বামী মাথা নাড়লেন, ‘উঁহু। এই ভায়াগ্রা, বুঝলে, আমার খিদে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে।’

"দুপুরবেলা"
মহিলা স্বামীকে বললেন, ‘লাঞ্চ করবে না? মুরগির সুপ, সালাদ, আর তার সাথে চিজ স্যান্ডউইচ নাহয়?’

স্বামী মাথা নাড়লেন, ‘উঁহু। এই ভায়াগ্রা, বুঝলে, আমার খিদে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে।’

"সন্ধ্যেবেলা"
মহিলা স্বামীকে বললেন, ‘ডিনার করবে না? যাও না গো, চিকেন ফ্রাই নিয়ে এসো, দুমিনিট লাগবে, ঐ মোড়ের কাবাবের দোকানে পাবে। কিংবা পিজার অর্ডার দিই ফোন করে?’

স্বামী মাথা নাড়লেন, ‘উঁহু। এই ভায়াগ্রা, বুঝলে, আমার খিদে একেবারে নষ্ট করে দিয়েছে।’

মহিলা এবার চটে গিয়ে বললেন, ‘তাহলে নামো আমার ওপর থেকে। ক্ষিদেয় পেট জ্বলছে আমার, কিছু খাবো!’

bangla choti jokes


রোমেল আর তার বউ গলফ খেলা শিখতে গেছে এক পোড়খাওয়া গলফারের কাছে। প্রথমে রোমেলের পালা। কষে বলের ওপর ক্লাব চালালো সে। বল গিয়ে পড়লো ১০০ গজ দূরে।

“উঁহু, এভাবে নয়।” এদিক ওদিক মাথা নাড়লো গলফার। “এমনভাবে ক্লাবটাকে আঁকড়ে ধরুন, যেন স্ত্রীর বুক চেপে ধরেছেন।”

এই পরামর্শ কাজে লাগিয়ে ক্লাব হাঁকালো রোমেল। এবার বল গিয়ে পড়লো ৩০০ গজ দূরে। সন্তুষ্ট হয়ে এবার রোমেলের বউকে শেখাতে বসলেন গলফার।

“কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম, ক্লাবটাকে এমনভাবে পাকড়াও করুন, যেন আপনার স্বামীর ঐ প্রত্যঙ্গটি চেপে ধরেছেন। তারপর কষে হিট করুন।”

রোমেলের বউ হিট করলো, বল গিয়ে পড়লো ১০ গজ দূরে।

গলফার বললেন, “হুম, মন্দ নয়। এবার এক কাজ করুন, ক্লাবটাকে মুখ থেকে নামিয়ে হাত দিয়ে ধরে আবার মারুন তো দেখি!”

bangla funny jokes 10


এক বিজ্ঞানী জঙ্গলে দীর্ঘদিন যাবত যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়া গবেষনায় মত্ত। অবশেষে তিনি একটা ইঞ্জেকশন আবিস্কার কইরা ফালাইলেন। এখন টেষ্ট করানোর জন্য কেউরে পাইতেছে না।
শেষমেষ নিজের পোষা বিড়ালের উপর সেইটা প্রয়োগ কইরা দিলেন। বিলাই যৌন উন্মাদনায় উত্তেজিত হইয়া যেইখানেই ফুটা পায় সেখানেই করা শুরু করে। বিজ্ঞানী সফল হইলে ও বিলাই লইয়া বিপদে পইড়া গেলেন। বিলাইয়ের সেক্স কিছুতেই কমে না। যখন যা পায় সেইটার লগেই সেক্স করবার যায়। শেষে বিজ্ঞানী বিলাইরে ধইরা ডীপ ফ্রীজে ঢুকাইয়া রাখল যাতে মইরা গেলে সকালে ফালাইয়া দিতে পারে।
সকালে বিজ্ঞানী ফ্রীজ খুইলা তাজ্জব হইয়া গেল, দেখল বিলাই খালি ঘামাইতেছে আর ঘাম মুছতেছে।
বিজ্ঞানী জিগাইল কিরে তুই মরস নাই ? বিলাই চিল্লাইয়া কইলঃ শালা, কাচা মুরগির লগে করা যে কি কষ্ট সেইটা তুই কি কইরা বুঝবি ?

bangla funny jokes 8


এক হিন্দু পুরোহিত, এক হুজুর আর এক রাজনীতিবিদ গাড়িতে করে যাচ্ছিলো। পথে তাদের গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলো। ভাগ্য ভালো কাছেই একটা ফার্মহাউজ ছিলো। মালিক তাদেরকে জায়গা দিলো রাতটা থাকার জন্য। তবে মাত্র একটা ঘর তারা পেলো যেখানে মাত্র ২টা বিছানা ছিলো। ফলে কাউকে না কাউকে খোঁয়াড়ে শুতে যেতেই হতো।

হিন্দু পুরোহিত স্বেচ্ছায় খোঁয়াড়ে শুতে গেলো। একটু পর দরজায় টোকা পড়লো। দেখা গেলো হিন্দু পুরোহিত ফিরে এসেছে। সে বললো, খোঁয়াড়ে একটা গরু আছে। গরু যেহেতু পবিত্র তাই এক সাথে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।

অত:পর হুজুর খোঁয়াড়ে থাকতে রাজি হলো। কিন্তু একটু পরেই দরজায় টোকা দিলো সে। জানালো, খোঁয়াড়ে একটা শুয়োর আছে। ধর্মে যেহেতু শুয়োর খারাপ, তাই ওটার সাথে খোঁয়াড়ে থাকা তার পক্ষে সম্ভব না।

অগত্যা রাজনীতিবিদ খোঁয়াড়ে থাকতে গেলো। একটু পরে দরজায় টোকা পড়লো। এবার গরু আর শুয়োরটা এসেছে।

bangla funny jokes 9


সে এক আদ্যিকালের কথা।এক রাজ্যে ছিল এক বুড়ি।বুড়ির খুব দু্ঃখ।তার স্বামী মারা গেছে বহু আগে,কোন ছেলেপেলেও নেই।আছে শুধু একটা ছাগল।ভিক্ষা করে কোনরকমে নিজের আর ছাগলের পেট চলে।

তো একদিন বুড়ি ভিক্ষা করছে।এক বাড়িতে তাকে ভিক্ষা দিল একটা প্রদীপ।বুড়ি ভাবল এটা দিয়ে কি করা যায়?যা থাকে কপালে ভেবে ঘষা দিল প্রদীপে।

তারপর যা হয় আর কি।এক জ্বিন এসে হাজির।বলল,হুকুম করুন।আপনার তিনটা ইচ্ছা পূরণ করব।

বুড়ি তার প্রথম ইচ্ছা জানাল,আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপ্রাসাদের মালিক বানিয়ে দাও।

যো হুকুম।বুড়ি রাজপ্রাসাদে এসে গেল।

আপনার দ্বিতীয় ইচ্ছা কি?

আমাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজকন্যা বানিয়ে দাও।

তাই হল।

তৃতীয় ইচছা কি?

আমার পোষা ছাগলটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে যৌনআবেদনময় পুরুষ বানিয়ে দাও।

বুড়ির এই ইচছাও পূরণ হল।

আমি এখন মুক্ত।এই বলে জ্বীন অদৃশ্য হল।

সুদর্শন যুবক (যে কিনা আগে ছাগল ছিল) এগিয়ে এল বুড়ির(যে এখন সুন্দরী রাজকন্যা) দিকে।বুড়ির নিঃশ্বাস ভারী হয়ে এল।বুড়ির কানে কানে সে বলল,আপনার কি মনে আছে শৈশবে আপনি আমাকে ছাগল থেকে খাসী করে দিয়েছিলেন???

bangla funny jokes 5


লুইসদের বাসায় গরুর খামার আছে। অনেক গরু। তো প্রতিদিন সকালে গরুর দুধ দুইতে দুইতে ওর বাবার হাত ব্যথা হয়ে যায়। তো একদিন লুইসের বাবা বাজার থেকে একদিন একটা মেশিন নিয়ে আসলো। ওইটা গাভীর স্তনে লাগিয়ে বোতাম চাপলে অটো দুধ বের হতে থাকে।

লুইস তখন কিছুটা বড় হইছে। তো ওর মাথায় একটা দুষ্টু বুদ্ধি আসলো। কেমন আরাম লাগে দেখার জন্য সে দুধ দোওয়ার মেশিনটা জায়গামত লাগিয়ে সে আরামে উপভোগ করতে লাগলো। তো কিছুক্ষণ পর লুইসের হয়ে গেলো। কিন্তু মেশিন থামে না। সে তন্ন তন্ন করে খুঁজেও মেশিনের আর কোনো বোতাম পায়না। ইতিমধ্যে তার আরো একবার হয়ে গেলো। কিন্তু মেশিন থামে না। চলছেই। লুইস দেখে যে মাত্র একটাই বোতাম মেশিনে, বার বার সে ওইটাই চেপে চলে কিন্তু মেশিন থামে না। ইতিমধ্যে আর একবার হয়ে গেলো। লুইস পাগল হয়ে গিয়ে ক্যাটালগ খুজে দেখে সেখানে লিখা............

This machine will stop automatically after minimum one liter discharge.

bangla funny jokes 7


জন বিয়ার খাবার জন্য বারে ঢুকেই দেখতে পেল তার বহুদিনের পুরোন বন্ধু পল বিষন্ন বদনে বসে আছে। আর তার সামনের টেবিলে খুব বেশি হলে দশ ইঞ্চি লম্বা এক মানুষ বসে বসে তেমনি ছোট একটা পিয়ানো বাজাচ্ছে এক মনে।
জন ভিষন আশ্চর্য হয়ে পলকে জিজ্ঞেস করলো - আরে পল, এই দশ ইঞ্চি লম্বা মানুষ কোথায় পেলে তুমি?!
পল উত্তর দিল - তুমি তো জানো কিছুদিন আমি চীন গিয়েছিলাম। ওখানে অদ্ভুত এক যাদুর পাথর পেয়েছি । সে পাথর যে কারো ইচ্ছা পুরন করে। তবে একজনের কেবল একটি ইচ্ছাই পুরন করে সে। তার মাধ্যমেই আমি এই লিলিপুটকে পেয়েছি।
জন উদগ্রিব হয়ে জানতে চাইলো - তোমার কাছে কি আছে এখন পাথরটা? পল হ্যা সুচক মাথা ঝাকালো। জন আরো উদগ্রিব হয়ে বলল - তাহলে আমাকে একবার দাও ওটা! আমি আমার একটা ইচ্ছা পুরন করি, প্লিজ!!
পল বলল - ঠিক আছে, দিচ্ছি। তবে তোমার ইচ্ছাটা বলার সময় একটু স্পষ্ট করে বলো। পাথরটা চীনাবংশোদ্ভুত কিনা, তাই বোধহয় এর অন্যভাষা বুঝতে সমস্যা হয়। এই বলে সে জনের হাতে একটা ছোট নীল পাথর ধরিয়ে দিল।
জন মহা উত্তেজিত হয়ে একটা নির্জন জায়গার খোঁজে ওয়াশ রুমের দিকে গেল। কিছুক্ষন পরে চোখে বিভ্রান্ত দৃষ্টি নিয়ে সে বেড়িয়ে এলো। আর তার পিছে পিছে বেড়িয়ে আসতে লাগলো হাজার হাজার হাঁস।
সে পলের কাছে গিয়ে অনিশ্চিত কন্ঠে বলল - আমি কিছুই বুঝলাম না। 'I asked the stone for a million bucks and suddenly I am surrounded by millions of ducks!!'
পল মুচকি হেসে বলল - তোমার কি মনে হয়? আমি কি পাথরটার কাছে ১০ ইঞ্চি 'Pianist' চেয়েছিলাম??

bangla funny jokes 8


জন বিয়ার খাবার জন্য বারে ঢুকেই দেখতে পেল তার বহুদিনের পুরোন বন্ধু পল বিষন্ন বদনে বসে আছে। আর তার সামনের টেবিলে খুব বেশি হলে দশ ইঞ্চি লম্বা এক মানুষ বসে বসে তেমনি ছোট একটা পিয়ানো বাজাচ্ছে এক মনে।
জন ভিষন আশ্চর্য হয়ে পলকে জিজ্ঞেস করলো - আরে পল, এই দশ ইঞ্চি লম্বা মানুষ কোথায় পেলে তুমি?!
পল উত্তর দিল - তুমি তো জানো কিছুদিন আমি চীন গিয়েছিলাম। ওখানে অদ্ভুত এক যাদুর পাথর পেয়েছি । সে পাথর যে কারো ইচ্ছা পুরন করে। তবে একজনের কেবল একটি ইচ্ছাই পুরন করে সে। তার মাধ্যমেই আমি এই লিলিপুটকে পেয়েছি।
জন উদগ্রিব হয়ে জানতে চাইলো - তোমার কাছে কি আছে এখন পাথরটা? পল হ্যা সুচক মাথা ঝাকালো। জন আরো উদগ্রিব হয়ে বলল - তাহলে আমাকে একবার দাও ওটা! আমি আমার একটা ইচ্ছা পুরন করি, প্লিজ!!
পল বলল - ঠিক আছে, দিচ্ছি। তবে তোমার ইচ্ছাটা বলার সময় একটু স্পষ্ট করে বলো। পাথরটা চীনাবংশোদ্ভুত কিনা, তাই বোধহয় এর অন্যভাষা বুঝতে সমস্যা হয়। এই বলে সে জনের হাতে একটা ছোট নীল পাথর ধরিয়ে দিল।
জন মহা উত্তেজিত হয়ে একটা নির্জন জায়গার খোঁজে ওয়াশ রুমের দিকে গেল। কিছুক্ষন পরে চোখে বিভ্রান্ত দৃষ্টি নিয়ে সে বেড়িয়ে এলো। আর তার পিছে পিছে বেড়িয়ে আসতে লাগলো হাজার হাজার হাঁস।
সে পলের কাছে গিয়ে অনিশ্চিত কন্ঠে বলল - আমি কিছুই বুঝলাম না। 'I asked the stone for a million bucks and suddenly I am surrounded by millions of ducks!!'
পল মুচকি হেসে বলল - তোমার কি মনে হয়? আমি কি পাথরটার কাছে ১০ ইঞ্চি 'Pianist' চেয়েছিলাম??

bangla funny jokes 6


জন বিয়ার খাবার জন্য বারে ঢুকেই দেখতে পেল তার বহুদিনের পুরোন বন্ধু পল বিষন্ন বদনে বসে আছে। আর তার সামনের টেবিলে খুব বেশি হলে দশ ইঞ্চি লম্বা এক মানুষ বসে বসে তেমনি ছোট একটা পিয়ানো বাজাচ্ছে এক মনে।
জন ভিষন আশ্চর্য হয়ে পলকে জিজ্ঞেস করলো - আরে পল, এই দশ ইঞ্চি লম্বা মানুষ কোথায় পেলে তুমি?!
পল উত্তর দিল - তুমি তো জানো কিছুদিন আমি চীন গিয়েছিলাম। ওখানে অদ্ভুত এক যাদুর পাথর পেয়েছি । সে পাথর যে কারো ইচ্ছা পুরন করে। তবে একজনের কেবল একটি ইচ্ছাই পুরন করে সে। তার মাধ্যমেই আমি এই লিলিপুটকে পেয়েছি।
জন উদগ্রিব হয়ে জানতে চাইলো - তোমার কাছে কি আছে এখন পাথরটা? পল হ্যা সুচক মাথা ঝাকালো। জন আরো উদগ্রিব হয়ে বলল - তাহলে আমাকে একবার দাও ওটা! আমি আমার একটা ইচ্ছা পুরন করি, প্লিজ!!
পল বলল - ঠিক আছে, দিচ্ছি। তবে তোমার ইচ্ছাটা বলার সময় একটু স্পষ্ট করে বলো। পাথরটা চীনাবংশোদ্ভুত কিনা, তাই বোধহয় এর অন্যভাষা বুঝতে সমস্যা হয়। এই বলে সে জনের হাতে একটা ছোট নীল পাথর ধরিয়ে দিল।
জন মহা উত্তেজিত হয়ে একটা নির্জন জায়গার খোঁজে ওয়াশ রুমের দিকে গেল। কিছুক্ষন পরে চোখে বিভ্রান্ত দৃষ্টি নিয়ে সে বেড়িয়ে এলো। আর তার পিছে পিছে বেড়িয়ে আসতে লাগলো হাজার হাজার হাঁস।
সে পলের কাছে গিয়ে অনিশ্চিত কন্ঠে বলল - আমি কিছুই বুঝলাম না। 'I asked the stone for a million bucks and suddenly I am surrounded by millions of ducks!!'
পল মুচকি হেসে বলল - তোমার কি মনে হয়? আমি কি পাথরটার কাছে ১০ ইঞ্চি 'Pianist' চেয়েছিলাম??

bangla funny jokes 3


ছোট বোন নতুন প্রমে করতেছে, এখন ডেটিংএ যাবে। তো বড় বোন শেখায়ে দিয়েছে, যত ভাল ছেলেই হোক দেখবি শুধু সেক্স করতে চাইবে। তবে একটা বুদ্ধি বলে দেই, তাহলে আর কোন অসুবিধা হবে না। যখনই দেখবি তোর কাপড়ে হাত দিচ্ছে, বলবি, যদি আমাদের একটা বাবু হয় তাহলে কি নাম রাখবে? দেখবে ছেলেটা আর আগাবে না।

তো মেয়েটা এই কথা কয়েকবার বলেছে। সত্যি সত্যি ছেলেটা আর আগায় নাই।

তারপর একদিন, ছেলেটা যেই আদর করতে শুরু করেছে…
“আমাদের বাবু হলে কি নাম রাখবে?….”

ছেলেটা পকেট থেকে একটা কনডম বের করে দেখায়া বলছে যদি এর ভিতর থেকে ও বের হতে পারে….

bangla funny jokes 2


প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাবে। সে এসেছে শেষ বারের জন্য প্রেমিক এর সাথে দেখা করতে। তো প্রেমিক বলছে, তোমার তো বিয়েই হয়ে যাবে, তার আগে তোমাকে আমি আদর করতে চাই। তো প্রমিকা রাজী হইছে। প্রেমিক বলছে, তোমাকে তো মাত্র একদিনই আদর করতে পারবো, তো একটা ব্যবস্থা করি যেন অনেকবার আদর করা যায়। আমার কাছে একটা কবিরাজি ঔষধ আছে। আমি সেইটা খাই। প্রেমিকা কইছে ঠিক আছে। তো প্রেমিক, নাম হইলো আবুল, লাইট নিভায়ে দিয়ে আদর করা শুরু করছে।
একবার, দুইবার, তিনবার…….. আদর করতেছে তো করতেছেই। অনেকক্ষন পর প্রেমিকা কয়, আবুল আর কত আদর করবে, আমারতো ব্যাথা করতেছে?

:আবুল কে? ও বুঝেছি যেই লোকটা বাইরে টিকিট বিক্রি করতেছে।

bangla funny jokes 1


এক পাগলের অভ্যাস ছিল গুলতি দিয়ে যে কোন কাঁচের জানালা ভাঙ্গার । তাকে ধরে মানসিক চিকিৎসালয়ে নিয়ে আসা হল । এক বছর চিকিৎসার পর ডাক্তারের ধারনা হল রোগ মুক্তি হয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়া যায় । ছাড়বার আগে শেষ পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারের চেম্বারে তাকে ডাকা হল ।
ডাক্তার : স্যার , আমাদের ধারনা আপনি সম্পূর্ন আরোগ্য হয়েছেন । তাই আপনাকে ছেড়ে দেয়া হবে । এবার আপনি বলুন এখান থেকে ছেড়ে দেয়ার পর আপনি কি করবেন ?
পাগল : আমি ! সত্যি বলব ?
ডাক্তার : বলুন ।
পাগল : প্রথমে ভালো একটা স্যুট কিনব । তারপর সেটা পরে আমি সেরাটন হোটেলে যাবো ডিনার খেতে ।
ডাক্তার : গুড, নর্মাল ব্যাপার, তারপর ?
পাগল : তারপর সেখানে সুন্দরী এক সোসাইটি গার্লকে বলব যে, মে আই হ্যাভ এ ড্যান্স উইথ ইউ ?
ডাক্তার : গুড, নর্মাল, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে ডিনার খাওয়াবো । মদ খাওয়াবো ।
ডাক্তার : ঠিক আছে, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে হোটেলের একটা রুমে নিয়ে আসব । নীল আলো জ্বালিয়ে দেবো । স্লো মিউজিক চালিয়ে দেব ।
ডাক্তার : নর্মাল সবকিছু, তারপর ?
পাগল : তারপর ধীরে ধীরে শাড়ী খুলব, ব্লাউজ খুলব , পেটিকোটটা খুলে ধীরে ধীরে নামিয়ে আনব পা থেকে ।
ডাক্তার : নাথিং রং, তারপর ?
পাগল : এবার মেয়েটির শরীরে বাকী আছে তার আন্ডারওয়ার । এখন ধীরে ধীরে সেই আন্ডারওয়ারটি খুলে নেব আমি ।
ডাক্তার : তারপর ?
পাগল : তারপর আন্ডারওয়ার থেকে ইলাস্টিকের দড়িটা খুলে নেব আমি । এই ইলস্টিক দিয়ে নতুন গুলতি বানাবো । আর সেই গুলতি দিয়ে শহরের যত কাঁচের জানালা আছে সব ভেঙ্গ চুরমার করে দিব আমি ।
ডাক্তার : নিয়ে যাও পেসেন্টকে । বন্ধ করে রাখ ওকে । হি ইজ এজ সিক এজ বিফোর । নো ইমপ্রুভমেন্ট । 

bangla dirty jokes 10


এক লোক বিয়ের বিশ বছর পর মারা যাচ্ছে, বউকে কাছে ডেকে বললো, "আমি খারাপ লোক, আমার মত খারাপ স্বামী জগতে নাই,, আমি বিরাট পাপী, বউ বললো কেন তুমি কি করছো?? লোকটি বললো, আমি তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছি, তোমাকে ঠকাইছি, আমি অন্য মহিলার সাথে সম্পর্ক রাখছিলাম, তারপর বললেন খাটের নিচের বড় বাক্সটা আনো, বউ এনে দিলো, দেখা গেলো সেখানে তিনটি বোতল আর বিশ হাজার পাউন্ড পড়ে আছে।

লোকটি বললো দেখো বোতলগুলো দেখো, যতবার আমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছি ততবার একটা হুইস্কির খালি বোতল জমা করেছি।

বউ বললো মন খারাপ করো না, বিশ বছরে মাত্র তিনবার তুমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছো, এটা কোন ব্যাপারই না, তুমি যে অপরাধ স্বীকার করছো সেটাই আমার কাছে অনেক বড়ো, তিনবার বিশ্বাস ভাঙা কোন ব্যাপার না, তোমাকে মাফ করে দিলাম।

তারপর বউ জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা!! বিশ হাজার পাউন্ড কোথেকে এলো, লোকটি উদাস গলায় বললো, যতবার বিশটা বোতল জেমছে ততবার আমি সেগুলো এক পাউন্ডে বিক্রি করে দিয়েছি!!!!!!!

bangla dirty jokes 9


জনি বেশ কিছুদিন চীন ঘুরে ফিরে দেশে ফিরেছে। তো চীনে থাকা কালীন সময়ে সে ভালই মউজ মাস্তি করেছে। চীনা খাবার-দাবার থেকে শুরু করে চীনা মেয়ে-মানুষ কোনটাই তার মেন্যু থেকে বাদ যায়নি। ফলাফল স্বরূপ দেশে ফেরার এক সপ্তাহের মাথায় তার পুরুষাঙ্গ কেমন একধরনের সবুজ সবুজ গোটায় ভরে গেল। প্রচন্ড ভয়ে জনি তখনি ডাক্তারের কাছে ছুটলো। ডাক্তার সব দেখে শুনে চিন্তিত মুখে এদিক ওদিক মাথা নাড়লেন। তারপর এটা ওটা অনেক টেস্ট দিলেন। সেসব টেস্টের রেজাল্ট দেখে তার মুখ আরো গম্ভির হলো। তিনি জনিকে বললেন - মি: জনি আমি খুব দুঃখিত হয়ে জানাচ্ছি যে, আপনার যে রোগ হয়েছে তাতে আপনার ইয়েটা যদি এখনি অপারেশন করে কেটে ফেলা না হয়, তবে আপনার জীবন বাঁচানোই দায় হয়ে যাবে।
জনি এ কথা শুনে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো - বলছেন কি ডাক্তার সাহেব?! ওটা ছাড়া এ জীবন রেখে কি হবে? সে কাঁদতে কাঁদতেই গেল তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুর কাছে দুঃখের কথা বলবে বলে। তার বন্ধু সব শুনে বলল - শোন দোস্ত, যেহেতু তুই চীনে গিয়ে এই রোগ বাধিয়েছিস সেহেতু এই রোগের চিকিৎসা চীনা কোন ডাক্তারই ভালো জানবে। আমার পরিচিত এক চীনা ভেষজ ডাক্তার আছে। চল তার কাছে যাই। জনি যেন কিছুটা আশা ফিরে পেল, বলল - চল তবে এক্ষুনি যাই।
চীনা ডাক্তার সব দেখে শুনে ভিষন বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে বললেন - তোমাদের দেশের এই সব ছাই পাশ ডাক্তার কি যে সব বলে না! সুযোগ পেলেই খালি ধর মার কাট কাট!! কেন বাপু, কি এমন হয়েছে যে তোমার ওটা অপারেশন করে কেটে ফেলতে হবে?! জনির চোখে আশার আলো ঝিলিক দিয়ে উঠলো - সত্যি বলছেন ডাক্তার সাহেব? আমার তাহলে অপারেশন লাগবে না? ওটা কেটে ফেলতে হবে না?
ডাক্তার বললেন - আরে না বোকা! কোন অপারেশন লাগবে না। তুমি আর এক সপ্তাহ অপেক্ষা করো। ওটার যা অবস্থা, তাতে ওটা আপনা আপনিই খশে পড়বে।

bangla dirty jokes 8


ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি -তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই।চোর -বাটপার সব কয়টা।
প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা।
“ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য ? "

একজন কাচুমাচুভাবে বলল " আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি।
এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে।“
সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে "কামে" লাগায়...ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম -
শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।
এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো ,
“শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল।

উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody Indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল
- খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?
- না হুজুর।
আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দুরের একটা শহরে যাই।

bangla dirty jokes 7


বউ সন্দেহ করছে যে তার স্বামীর সাথে কাজের মেয়ের অবৈধ স্বম্পর্ক আছে।
শিওর হওয়ার জন্য সে কাজের মেয়েকে ১ দিন ছুটি দিল কিন্তু স্বামীকে এটা বলল না।
রাতে স্বামী বাসায় এসে ঘুমোতে যাওয়ার সময় স্ত্রী আদর পেতে চাইলে
স্বামী বললঃ আমার শরীর টা ভালো না। আজ থাক। এই বলে সে ঘুমিয়ে পড়লো।
স্ত্রী ঘুমের ভান করে জেগে থাকলো। মাঝ রাতে স্বামী উঠে পাশের রুমে টয়লেট এ গেল।
স্ত্রী তখন কাজের মেয়ের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো এবং লাইট বন্ধ করে দিল।


একটু পর স্ত্রী কিছু একটা অনুভব করলো।
কাজ শেষ হওয়ার পর স্ত্রী লাইট জ্বালিয়ে বললোঃ
তুমি নিশ্চয় আমাকে এই বিছানায় আশা করোনি !!

“অবশ্যই না ম্যাডাম”, বললো ড্রাইভার !!

bangla dirty jokes 5


''exam" দেয়ার পর একটি মেয়ের চিন্তাঃ

*কত্ত লম্বা ছিল, ইস্! যদি আরেকটু সময় পেতাম।
*প্রথমে কত ভয় লাগতেছিলো,কিন্তু পরে যে কীভাবে হয়ে গেলো বুঝলাম না।
*আমি তো অজ্ঞানই হয়ে গেছিলাম, ৩ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরছে।
*রাতে তো একটুও শুতে পারি নাই,কেমন যেনো অদ্ভূত লাগতেছিলো।
*এরপর থেকে সব কাজ বুঝে শুনে করব।

সেক্স এর পরও মেয়েদের এই একই চিন্তা থাকে।

bangla dirty jokes 6


Batman এবং Spiderman ছুটিতে যাওয়ায় সুপারম্যান বেচারা একা হয়ে পড়লো। সে একা একা উড়ে বেড়ায়। একদিন সে সাগরের পারে উড়ছে, হঠাৎ দেখতে পেল wonder woman , কাপড় ছাড়া পা ছড়িয়ে শুয়ে আছে, সুপারম্যান ভাবলো সে রোদ পোহাচ্ছে, এইতো সুযোগ, এই ফাকে কাজটা সেরে ফেলা যাক। সুপার ম্যান প্ল্যান নিল অতি দ্রুত কাজটা করা হবে। wonder woman কিছু বোঝার আগেই she will be fucked!!!!
সুপারম্যান প্রায় বিশ মাইল উপর থেকে ১০০০ মাইল বেগে নিচে নেমে এল, সরাসরি wonder woman এর জায়গা মত এ্যাটাক।
২ সকেন্ডের মধ্যে কাজ সেরে আবার উড়ে চলে গেলো। wonder woman সাথে সাথে উঠে বসে বললো!!
কি হলো!! কি হলো!!???
Wonder woman এর উপর যৌনরত Invisible man বললো , কিছুইতো বুঝলাম না, শুধু এইটুকু বলতে পারি, আমার পাছা জ্বলে যাচ্ছে!!!!!!

bangla dirty jokes 4


মলি আন্টি সাথে তার দু বান্ধবী জলি ও পলি আন্টি ব্যালকনিতে বসে বৈকালিক খোশগল্প করছেন।

পলি আন্টি ভীষণ মুখরা আর যাচ্ছেতাই স্বভাবের। চা এ মুখ দিতে দিতে তিনি বললেন, “আমার হাজব্যান্ড মকবুলকে যখন আমি কষে একটা ব্লো- দেইনা, আহাহাহা…মনে হয় তার ইয়েটা যেন ঠাণ্ডা আইসক্রিম।”

“হুম”, চায়ের কাপটা মুখ থেকে নামিয়ে তাল ধরলেন জলি আন্টি। “একই ব্যাপারটা আমার জামাই, মানে তোমাদের মজনু ভাইয়ের ক্ষেত্রেও আমার মনে হয়, একেবারে ঠান্ডা।”

পলি আন্টি পাশে তাকিয়ে বললেন, “কী হে মলি, তোমার বেলায় ঘটনা কেমন?”

মলি আন্টি অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন যেন। “ছিঃ, বলছ কি! আমি মোতালেবের ওটা মুখে নেবার কথা চিন্তাই করিনা।”

কথাটা শুনে জলি আর পলি আন্টি পরস্পরের দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকালেন। “বলে কী মহিলা।” বললেন জলি আন্টি। “এত ইন্টেরেস্টিং একটা বিষয় তুমি মিস করো!!”

“শোনো মলি” পলি আন্টি বললেন। “শুনেছি মোতালেব ভাই প্রায়ই তোমার সাথে খ্যাটখ্যাট করে। এবার কারণটা বুঝেছি। কারণ তুমি ওনাকে ব্লো- দাওনা। সকল পুরুষই আসলে তাদের স্ত্রীর কাছ থেকে মৌখিক আদর আশা করে। একবার শুধু করে দেখো, দেখবে ভাইসাহেবও তোমাকে কেমনটা না আদর করেন।”

পরের দিন বিকেলে, মলি-পলি-জলি আন্টি আবারও ব্যালকনিতে ফের জমায়েত হয়েছেন। মলি আন্টির ডান চোখ ঘিরে লালচে দাগ। পলি আন্টি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হে, তোমার চোখের চারপাশটায় এরকম দাগ কেন?”

-”তোমার কথামত কাজটা করতে গিয়ে মোতালেবের ঘুষি খেয়েছি।”

“ড্যাম ইট!!” চেয়ার চাপড়ে বললেন জলি আন্টি। “উনি কি পাগল নাকি? শুধু শুধু তিনি ঘুষি মারতে গেলেন কেন? নাকি তুমি কোনো কামড়ে দিয়েছিলে?”

“আরে ধুর না।” বললেন মলি আন্টি “আমি শুধু জিপারটা নামিয়ে ওটাকে মুঠ করে ধরে বললাম, ‘মকবুল ভাই আর মজনু ভাইয়েরটা তো ঠান্ডা, তোমারটা এতো গরম কেন?’ “

bangla dirty jokes 3


এক লোক গেল সিনেমা দেখতে। সেই সিনেমায় যৌন উত্তেজক দৃশ্যের ছড়াছড়ি। আশপাশ তাকিয়ে হঠাৎ সে দেখলো এক মহিলা তার পাজামার বাঁধন একটু আলগা করে ভিতরে মুহুর্মুহু হস্তচালনা করছেন। দেখে সুযোগসন্ধানী লোকটা নিজের আসন ছেড়ে ঠিক সে মহিলার পাশে গিয়ে বসলো। তারপর মহিলাকে বললো, “ম্যাডাম, আপনি যা করছেন সে ব্যাপারে আমি কি আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”

মহিলাটা লোকটার দিকে বোকার মত তাকিয়ে বললো, “জ্বী পারেন।”

এত সহজে সুযোগ পেয়ে লোকটা তৎক্ষণাৎ কাজে লেগে পড়লো। বহুক্ষণ পর কর্মসিদ্ধ লোকটা যখন দেখলো যে ক্রমসঞ্চালনে তার হাত ব্যথা-ব্যথা হয়ে উঠেছে তখন সে আপনাতেই সেটা সরিয়ে নিল। হাত সরানোর পর সে দেখলো মহিলা তার সেজায়গায় এবার দুহাত ঢুকিয়েই দ্বিগুণ কম্পনাঙ্কে ঝাঁকাচ্ছে।

“কী হলো, এতক্ষণ ধরে মজা দিলাম তবুও কী আপনার খায়েশ মেটেনি?” বললো লোকটা।

মহিলা বললো, “কিন্তু দাদগুলোয় (eczema) তো এখনো চুলকোচ্ছে।”

bangla dirty jokes 2


এক ভদ্রলোকের বিরূদ্দ্বে তার সদ্যমৃতা বৌ এর সাথে Sex করার অভিযোগ আনা হলো:
বিচারক:আমি আমার চাকুরী জীবনে এমন জঘন্য মামলা ইতিপূর্বে আর কখোনোই পরিচালনা করিনি,কেন আপনি এটা করলেন,নিদেননপক্ষে একটি কারন কি আপনি বলতে পারবেন?
ভদ্রলোক:অবশ্যই,একটি নয়,আমি তিনটি কারন বলতে পারবো:আপনি এখানে মোটেও নাক গলাতে পারেন না,কারন সে আমার বৌ,আমি একদম বুঝতেই পারিনি সে মরে গেছে এবং আমাদের দাম্পত্য-জীবনে বিছানায় সবসময় তাকে আমি এ অভিনয়ই করতে দেখেছি!!!!!

bangla dirty jokes 1


এক মহিলার গর্ভে একসাথে তিন সন্তান। তিনি একদিন হাঁটছিলেন, এমন সময় আশেপাশের কোথাও ডাকাত পড়লো। মুহুর্মুহু গোলাগুলির আওয়াজ আসতে লাগলো কানে। হঠাৎ গুনে গুনে তিনটা গুলি এসে লাগলো মহিলার নিন্মদেশে। তিনি মূর্ছা গেলেন।

ভাগ্যের অতিমাত্র্যে মহিলা রক্ষা পেলেন। ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিল বুলেটগুলো ভিতরেই রেখে দিতে, কারণ তারা দেখলো অপারেশন করাটা ঝুঁকিপূর্ণ।

ষোল বছর পরের কাহিনী। তাঁর বাচ্চাগুলো খুব ভালোমতই বড় হয়েছে এতদিন। হঠাৎ একদিন এক মেয়ে এসে কাঁদো কাঁদো হয়ে বললো, “মা মা, আমার খুব ভয় লাগছে।”

“কি মা, কি হয়েছে তোমার। আম্মুকে সব খুলে বলো।”, বললেন মহিলা।

“আজ হিসু করার সময়না, আমার শরীর থেকে একটা টাটকা বুলেট বেরিয়েছে। ঠুস করে গুলি করার মত শব্দও হয়েছে।”, বললো মেয়েটি।

মহিলা ব্যাপারটা বুঝতে পারলেন। তিনি ষোল বছর আগে ঘটে যাওয়া সে রোমহর্ষক ঘটনাটি মেয়েকে খুলে বললেন।

কিছুদিন বাদে এল দ্বিতীয় মেয়েটি। সেও ভীষণ উদ্বিগ্ন, কারণ সেও তার বোনের মত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে কিছু আগেই। মা সবকিছু শোনার পর তাকেও ষোল বছর আগের ঘটনাটা খুলে বললেন। সেও আশ্বস্ত হলো।

আরো কিছুদিন গেছে। হঠাৎ মহিলাটা একদিন দেখলেন তাঁর তিন যমজ সন্তানের মধ্যে একমাত্র ছেলেটি ভয়ার্ত মুখে হাঁপাতে হাঁপাতে এল।

“কি হয়েছে, খোকা? এমন করছ কেন?”, বললো মহিলাটা।

সদ্যপ্রাপ্ত ভরাট কন্ঠে ছেলেটা ভয়ার্ত স্বরে বললো, “আম্মা, কিছুক্ষণ আগে মারাত্মক একটা ব্যাপার ঘটেছে।”

মহিলাটা আঁচ করতে পারলেন। “ও বুঝেছি। নিশ্চয়ই তুমি প্রস্রাব করতে গিয়েছিলে, আর একটা বুলেট বেরিয়েছে…তাইতো?”

“না মা, ঠিক প্রস্রাব করতে নয়।”

“তাহলে?” আশ্চর্য স্বরে বললেন মহিলা।

“যাই হোকনা কেন, ভয়ানক ব্যাপারটা হচ্ছে , আমি আমাদের কাজের বুয়াকে মেরে ফেলেছি।”

bangla adult jokes 20


স্ত্রী মারা যাওয়ায় হক সাহেব ভয়ানক কাদতে লাগলেন। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পুরো সময় টা তিনি কাদলেন। কারো সান্ত্বনায় কাজ হলো না। এমনকি বাসায় ফেরার সময় গাড়ীতেও কাদতে লাগলেন। পাশে বসে থাকা তার এক বন্ধু সান্ত্বনা দিয়ে বল্লেন-"কেন দুঃখ করছো? যা হবার হয়েছে, এটা ভাগ্যের ব্যপার। তা এখন থেকে যদি মনকে শক্ত করার চেষ্টা কর তাহলে মাস ছয়েকের মধ্যে আর একটা বিয়ে করতে পারবে।"
হক সাহেব উত্তেজিত হয়ে বললো-"৬ মাস??? তাহলে আজ রাতে কি করবো।"

bangla adult jokes 19


এক লোক নগ্নতাবাদীদের দলে গিয়ে জুটলো। সে নিজের অনেক দিনের আবাস ছেড়ে তাদের সাথে গিয়ে বসবাস করতে থাকলো। একদিন তার দাদিমা তাকে চিঠি দিলেন। চিঠিতে তিনি বললেন, নাতি যেন তার বর্তমান হাল হকিকত সম্পর্কে তাঁকে লিখে জানায়, সাথে একটা ছবিও যেন জুড়ে দেয়।

লোকটা ভেবে পেলনা কী করবে। সে যে একপাল ন্যাংটো মানুষের সাথে দিনে দুপুরে দিগম্বর হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এ ধরণের ছবি দাদিকে পাঠালে ভীষণ এক কেলো লাগবে। তাই সে বুদ্ধি করে তার নিজের বর্তমান অবস্থার এক ছবি অর্ধেক কেটে দাদিকে পাঠিয়ে দিল।

কিন্তু ভুলবশত উপরের অর্ধাংশের বদলে নিচের অর্ধাংশ পাঠালো সে। ফলে তার চিন্তার অন্ত নেই। কিন্তু তার আবার মনে পড়লো যে দাদিমা চোখে খাটো। তিনি ছবি দেখে কিছুই ভালোকরে বুঝবেন না। ফলে সে কিছুটা আশ্বস্ত হলো।

কিছুদিন পর দাদিমা চিঠি লিখে জানালেন, ‘তোমার চিঠি আর ছবির জন্য তোমাকে অশেষ ধন্যবাদ। তবে আমার মনে হয় তোমার চুলের কাটিংটা একটু বদলানো উচিত। চুলগুলোর কারণে তোমার নাককে অনেক ছোট মনে হয়।’

bangla adult jokes 18


তিন বান্ধবী বারে গিয়ে ঠিক করলো আজকে তারা মদ খেয়ে পাড় মাতাল হবে|
তারপর বার থেকে বের হয়ে যে যার পথে বাড়ির দিকে যাবে|
পরদিন সবাই আবার বারে দেখা করবে এবং কে কি মাতলামো করলো তা শেয়ার করবে|
যে সবচেয়ে বেশি মাতলামি করছে বলে প্রমানিত হবে, সে বিজয়ী হবে আর অন্য দুজন তাকে একমাস ফ্রি মদ খাওয়াবে ।
পরদিন তিন জন বারে এসে তাদের মাতলামির কাহিনী এক এক করে বর্ণনা করলো|

১ম জন বলল,”আর বলিস না, গতকাল বাড়ি ফেরার সময় আমি বেখেয়াল হয়ে গাড়ি রাস্তার পাশের খালে নামিয়ে দিসি| লোকজন যখন আমাকে উদ্ধার করলো, ততক্ষণ আমার পেট থেকে ৩ টা পুটি মাছ বের হইসে “|

২য় জন বলল,”এটা কিছু হইল নাকি! তুই আমার কাহিনী শুন, গতকাল বাড়ি গিয়ে আমি টনিরে ব্লো জব দিসি!”

৩য় জন বলল,”আমার মনে হয় আমি জিতব। কারণ আমি তো গতকাল বাসায় গিয়ে চুলা জালাতে গিয়ে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে দিসি। কি মজা একমাস তোদের টাকায় ফাউ মদ খাব!”

এবার ২য় জন বলল,”তুমি মনে হয় বুঝনি যে টনি আমার হাসবেন্ড না, ও আমার পোষা কুত্তা!”

bangla adult jokes 17


আরাম খান কে  নিয়ে একবার এক টিভি এক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করলেন। যেখানে আরাম খান এর চোখ বাধা থাকবে এবং দেশের বিভিন্ন নায়িকার চুমো খাবেন। তাকে বলতে হবে কে চুমো খেলেন।

১ম বার বাংলাদেশের নায়িকা অঞ্জুঘোষ চুপে চুপে চুমো খেয়ে গেলেন। আরাম খান চোখ বাধা অবস্থায় তিন সেকেন্ডের ভেতর বলে দিলেন, এটা অঞ্জু।

সবাই খুব অবাক হলেন!!! ২য় নাম্বারে এলেন সাবানা, সবাই জানে সাবানা ভালো মেয়ে, কোন ঘটনা নেই, আরাম খান হয়তো ধরতে পারবে না। কিন্তু বিধি বাম। আরাম খান ৪ সেকেন্ডর মাথায় বলে দিলেন এটা সাবানা।

একে একে শাবনুর, ময়ূরী সবাই ফেল মারলেন। আরাম খান সবার নাম বলে দিচ্ছেন।

পাশে মমতাজ দাড়ানো ছিলো। তিনি নায়িকা নন। কিন্তু আরাম খান এর এই ক্ষমতা দেখে তার মাথায় রক্ত উঠে গেল। তিনি বললেন , "দাড়া তোকে মজা দেখাই"

তিনি তার শাড়িটা তুলে তার বিশেষ জায়গাটা দিয়ে আরাম খান এর ঠোটে একটি চুমো দিলেন। আরাম খান প্রায় দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন। তারপর বললেন। "এটা আসাদুজ্জামান নূর" ।

bangla adult jokes 16


৭০ বছরের এক বৃদ্ধ আরেক বৃদ্ধের বাড়িতে দাওয়াত খেতে গেলো…

সে খুবই impressed হলো যখন তার বন্ধু তার বৃদ্ধা স্ত্রীকে ‘জান’…’ময়না’ …’কলিজার টুকরা’ বলে ডাকছিল…

যাওয়ার সময় সে তার বন্ধুকে বলল, “এটা অনেক সুন্দর…বিয়ের ৪০ বছর পরেও তুমি স্ত্রীকে নাম আদর করে এত সুন্দর করে ডাকো”

বৃদ্ধ নিচু গলায় বলল, “তার নাম আমি ১০ বছর আগেই ভুলে গেছি…আমি ভয়ে তার নাম টা জিজ্ঞেস করতে পারি নি…তাই এসব বলেই ডাকি …

bangla adult jokes 15


এক লোক বিয়ের বিশ বছর পর মারা যাচ্ছে, বউকে কাছে ডেকে বললো, "আমি খারাপ লোক, আমার মত খারাপ স্বামী জগতে নাই,, আমি বিরাট পাপী, বউ বললো কেন তুমি কি করছো?? লোকটি বললো, আমি তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করছি, তোমাকে ঠকাইছি, আমি অন্য মহিলার সাথে সম্পর্ক রাখছিলাম, তারপর বললেন খাটের নিচের বড় বাক্সটা আনো, বউ এনে দিলো, দেখা গেলো সেখানে তিনটি বোতল আর বিশ হাজার পাউন্ড পড়ে আছে।

লোকটি বললো দেখো বোতলগুলো দেখো, যতবার আমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছি ততবার একটা হুইস্কির খালি বোতল জমা করেছি।

বউ বললো মন খারাপ করো না, বিশ বছরে মাত্র তিনবার তুমি অন্য মহিলার সাথে শুয়েছো, এটা কোন ব্যাপারই না, তুমি যে অপরাধ স্বীকার করছো সেটাই আমার কাছে অনেক বড়ো, তিনবার বিশ্বাস ভাঙা কোন ব্যাপার না, তোমাকে মাফ করে দিলাম।

তারপর বউ জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা!! বিশ হাজার পাউন্ড কোথেকে এলো, লোকটি উদাস গলায় বল

bangla adult jokes 14


এক লোক গেছে ডাক্তারের কাছে। তার থাই (উরু) পুড়ে গেছে। তো, ডাক্তার প্রেস্ক্রিপশন লিখলো,
(১) বার্নল।
(২) ভায়াগ্রা।

লোকটা প্রেস্ক্রিপশন দেখে তো অবাক!! জিজ্ঞেস করলো,
বার্নল তো বুঝলাম কিন্তু ভায়াগ্রা কেন? আমার তো …ইয়ে মানে…আমার তো তেমন কোন সমস্যা নাই!!
ডাক্তার : এইটা আপনার লুংগিকে আপনার পোড়া জায়গাটা থেকে দুরে রাখতে সাহায্য করবে।।

bangla adult jokes 13


কমল আর তার বউ কমলা নিদারুণ অর্থকষ্টে আছে। অনোন্যপায় হয়ে এই অর্থকষ্ট লাঘবের জন্য কমলা সিদ্ধান্ত নিল সে পতিতাবৃত্তি করবে। তো, রাতের বারোটার সময় হতভাগিনী কমলা তার ঊনপাঁজুরে স্বামী কমলকে দালাল বানিয়ে হাজির হল শাহবাগের মোড়ের দিকে।

কমল বললো, “শোনো, আমি সামনে থাকবো না, আমার শরম লাগে। আমি এই খাম্বার আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকবো। মুলোমুলির ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তুমি আমার সাথে এসে মোলাকাত করবে। আমি সবকিছু বাতলে দেব।”
কমলা বিজন রাতে, সস্তা মেকআপ নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল রাস্তার ধারে।

এমন সময় তার পাশে একটা ভ্যানঅলা এসে থামলো। জিজ্ঞেস করলো, “দর কত?”
কমলা বললো, “এক রেট, একশো টাকা।
ভ্যানঅলা বললো, “ধুর্। আমার আছে মোটে তিরিশ ট্যাহা।”

কমলা কী যেন ভাবলো। তারপর দৌড়ে খাম্বার আড়ালে লুকিয়ে থাকা কমলের কাছে গিয়ে বললো, “ঐ ভ্যানঅলা ব্যাটার তিরিশ টাকা আছে। এটা দিয়ে ওকে কি করা যায়।”

কমল কিছুক্ষণ ভেবে বললো, “ওই, হাত দিয়ে একটু ঘঁষে-মেজে দিতে পারো আরকি।”

কমলা ফের ছুটে গেলো ভ্যানঅলার কাছে, “শোনেন, তিরিশ টাকা দিয়ে আমি আপনাকে হাত দিয়ে কিছুটা সুখ দিতে পারবো, এর বেশি না।”

গোবেচারা ভ্যানঅলা তাতেই রাজি হয়ে গেল। তারপর সে কমলার কাছে এগিয়ে গিয়ে তার লুঙ্গিটা অভদ্র পরিমাণ উচ্চতায় উঠিয়ে নিল। আর আড়াল থেকে বেরিয়ে এল যা,  তা দেখে কমলা স্রেফ ভিরমি খেয়ে গেল। সে কিছুক্ষণ কী যেন ভেবে, ভ্যানঅলাকে অপেক্ষা করতে বলে কমলের কাছে ছুটে গেল পুনর্বার।

“কী বউ! তোমাকে এমন উত্তেজিত দেখাচ্ছে যে”, বিস্মায়পন্ন হয়ে বললো কমল।

“কমল, জান আমার!” আপ্লুত কণ্ঠে বললো কমলা। “তুমি কি ওই লোকটাকে সত্তুরটা টাকা ধার দিতে পারবে"

bangla adult jokes


মিয়ামি থেকে বস্টনে উড়ে যাবার সময় একবার আটলান্টিক কোস্টলাইনে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনা ঘটলো। বিমানের প্রায় সব মানুষ মারা পড়লো। অনুসন্ধানকার্যে ঝানুতম- মার্কিন গোয়েন্দাব্যুরো এফবিয়াই, তটসীমা ধরে দুর্ঘটনাস্থল আঁতিপাঁতি করে চষে ফেললো। তবুও তারা ব্ল্যাকবক্সের একরত্তি টুকরোটাও পেলনা, যা থেকে অন্তত বোঝা যেতে পারতো, ঘটনা কীভাবে ঘটেছে। পাওয়ার বেলায় পেল কেবল একটা বাঁদর, যেটা সেই সময়ে ওই বিমানেই অবস্থান করছিল। কোন এক হতভাগা যাত্রীরই পোষা ছিল সেটা। মনিব মশায় অক্কা পেলেও, সৌভাগ্যের অতিশয্যে, বিমানের একমাত্র প্রাণী হিসেবে বেঁচে ছিল শুধুমাত্র মুখপোড়া বাঁদরটাই।

এফবিয়াই-এর প্রাণী প্রশিক্ষণ বিভাগ সপ্তাহকালের অক্লান্ত চেষ্টায় বাঁদরটাকে বিভিন্ন আকার-ইঙ্গিত শেখালো, যাতে তার কাছ থেকে দুর্ঘটনার কোন হেতু বের করে আনা যায়। ট্রেনিং সম্পন্ন হবার পর বাঁদরটা মুখোমুখি হলো তদন্ত বিভাগের। তদন্তকর্মে নিয়োজিত হলো সাতিশয় অভিজ্ঞ, পক্কবাল এক অফিসার।

“দুর্ঘটনার সময় বিমানের পাইলট কি করছিল?” বাঁদরে শুধালেন অফিসার।
জানোয়ারটা তার বাঁদরপনা লিঙ্গটা উম্মুখ করে দিয়ে, তার কটিদেশ সংলগ্ন অঞ্চল আগপিছ দুলিয়ে, মুখে শব্দ করলো, “ওহ ওহ ওহ…”

দুর্ঘটনার জটটা যেন আস্তে আস্তে খুলতে লাগলো। অফিসার সাহেব ভুরু-টুরু কুঁচকে ফের জিজ্ঞেস করলেন, “তখন, সহকারি বৈমানিক করছিলটা কি?”

এবার বাঁদরটা তার নির্দিষ্ট অঙ্গটাতে হস্তস্থাপন করলো। হাতকে আগপিছ ঝাঁকিয়ে, মুখটা প্রসৃত করে শব্দ করলো, “এহ এহ এহ…”

এবার অফিসার মহাশয় আরও অস্থির হলেন। তিনি সন্ধিগ্ধ নয়নে জিজ্ঞেস করলেন। “এয়ার হোস্টেস গুলা কি করছিল বলতে পারো?”

বাঁদরটা এবার তার ডবকা নিতম্বাংশ দুটো দুহাতে পাকড়ে সামনের দিকে ঝুঁকে গেল। মুখটা ভীষণ রকম কেলিয়ে শব্দ করলো, “ইহ ইহ ইহ….” ।

অফিসার সাহেব রিলাক্স করে বসলেন। তার কাছে সবকিছু জলের মত পরিষ্কার। আয়েসী ভাবেই হঠাৎ তিনি বাঁদরটাকে জিজ্ঞেস করলেন, “এমন ভয়ানক সময়টাতে তোমার কেমন লাগছিল? কি করছিলে তুমি তখন?”

এবার বাঁদরটা একটা কাল্পনিক স্টিয়ারিং ধরে, বিমান চালানোর ভঙ্গি করলো।

bangla adult jokes 12


আরাম খান কসমেটিকসের দোকানে এসে দোকানদারকে বললেন, “আমাকে একটা লতা হারবালের ডিওডোরেন্ট দিন তো।”

“কি ধরণের” জিজ্ঞেস করলো দোকানদার। “বগলের ডিওডোরেন্ট নাকি মুখের গন্ধনাশক ডিওডোরেন্ট।”

আরাম খান সপাটে বললেন, “ধুর ওসব না। পাছার ডিওডোরেন্ট।”

দোকানি ভ্যাবচেকা খেলো। “অ্যাঁ, এইসব কি বলেন। এই ধরণের ডিওডোরেন্ট আবার হয় নাকি?”

“আরে কি দোকানদারি করেন এখনো ডিওডোরেন্টের রকম সকম জানেন না।” রেগে বললেন আরাম খান। “গত দু বছর যাবৎ আমি এই ধরণের ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করে আসছি, আর আপনি এসে বলছেন এইগুলার অস্তিত্বই নেই। যত্তোসব।”

দোকানি আকাশ থেকে পড়লো যেন। “ঠিকাছে মানছি” বললো সে। “আপনি কি আপনার পুরোনো ব্যবহার্য একটা নমুনা এনে দেখাতে পারবেন? তাহলে হয়তো আমি নিজের ভুলটা বুঝতে পারবো।”

“ঠিকাছে।” বলে আরাম খান বেরিয়ে গেলেন।

পরের দিন একটা খালি ডিওডোরেন্ট স্টিক হাতে করে আবার সেই দোকানে এলেন তিনি।
দোকানি সেটা দেখে বললো, “আরে এটাতো একটা নর্মাল ডিওডোরেন্ট।”

“কী যা তা বলছেন।” বললেন আরাম খান। “ভালো করে পড়ে দেখুন, ‘ব্যবহারবিধি’ তে কি লেখা আছে।” তারপর জিনিসটার গায়ে ‘ব্যবহারবিধি’ অংশটা নির্দেশ করে বললেন, “লেখা আছে, ‘এই গন্ধনাশকটি ব্যবহার করিতে হইলে পিছন দিকে ধরুন, তারপর আলতো করিয়া চাপ দিন।’

LinkWithin

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...